হুসনী মোবারক
জন্ম ও বেড়ে ওঠা:বৃহত্তর ময়মনসিংহ শিক্ষাজীবন:তিনি জামালপুর জেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সমাপনী পরীক্ষা দিয়ে ময়মনসিংহের একটি খ্যাতনামা স্কুল "ময়মনসিংহ জেলা স্কুল" থেকে এসএসসি এবং ময়মনসিংহের আরেকটি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান "শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ" থেকে এইচএসসি পাস করেন।বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। জাহাঙ্গীরনগর কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন :তিনি জাহাঙ্গীরনগর কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে কেন্দ্রীয় "স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক" হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সাংগঠনিক ও সমাজ সেবামূলক কার্যক্রম :তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রথম বর্ষ থেকেই শিক্ষার্থীদের খাবারের বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন।শিক্ষার্থীদের খাদ্যের মান কিভাবে উন্নত করা যায়। কিভাবে শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে সর্বনিম্ন দামের ভিতরে খাবার ব্যবস্থা করা যায় এ বিষয়ে তিনি প্রথম বর্ষ থেকেই কাজ করে আসছেন Consumer youth Bangladesh(CYB) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাথে।তিনি তার সংগঠন থেকে গত তিন বছরে প্রায় ২০০র অধিক অভিযান পরিচালনা করেন বিভিন্ন খাবারের দোকানে। সেখানে খাবারের দোকানে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের প্রেক্ষিতে এবং শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে বিভিন্ন হোটেলে জরিমানার ব্যবস্থা করেন।তার উদ্যোগে বটতলার খাবার দোকানগুলো তাদের স্ট্রাকচার চেঞ্জ করতে বাধ্য হয় এবং প্রতিটি দোকানে খাবার রাখার জায়গায় গ্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। তিনি যেকোন সময় শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন এবং এটি সমাধান করার চেষ্টা করেছেন। এছাড়া তিনি জুলাই আন্দোলনের একজন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর সংস্কার আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।সংস্কার আন্দোলনের পক্ষ থেকে তিনি জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষার্থীদের জন্য ৩৬ দফা পেশ করেন প্রশাসনের কাছে। সেখানে ক্যাম্পাসের স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত হয় । তিনি তার সাংগঠনিক জীবনে বিএনসিসি, বাঁধন, রোটারি ক্লাব।এছাড়া তিনি কোরান অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের সাবেক কালচারাল অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি। আসন্ন জাকসু নির্বাচনে তিনি অবশ্য একজন যোগ্য প্রার্থী কারণ এই সেক্টরে তার বিস্তর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। আশা করি তিনি এই পদে বিজয়ী হলে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন ও খাদ্যের মান উন্নয়নে যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারবে ইনশাআল্লাহ।